শ্রীনগর থানা এলাকায় একের পর এক চুরির ঘটনায় সাধারণ মানুষের উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে। কয়েকদিন আগেই আনন্দনগর গার্লস হোস্টেল এবং আনন্দনগর রামকৃষ্ণ আশ্রমে চুরির ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের চোরের হানায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।এবার চুরির ঘটনা ঘটেছে আনন্দনগর পাঁচ নম্বর পাড়ায়। অভিযোগ, শুক্রবার গভীর রাতে স্কুলশিক্ষক বোপেশ দেবনাথের বাড়িতে সিঁধ কেটে বা তালা ভেঙে প্রবেশ করে দুর্বৃত্তরা। পরিবারের সদস্যরা ঘুমিয়ে থাকার সুযোগে প্রায় ১০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, দুটি মোবাইল ফোন এবং নগদ ১০ হাজার টাকা নিয়ে চম্পট দেয়।ঘটনার খবর পেয়ে শ্রীনগর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে। তবে এলাকাবাসীর দাবি, এর আগেও একাধিক চুরির ঘটনার তদন্ত হলেও এখনও পর্যন্ত চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার বা দোষীদের গ্রেপ্তারে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা যায়নি। ফলে পুলিশের তদন্ত নিয়ে মানুষের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে।স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, রাতের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর নয়। তাঁদের দাবি, রাতে টহলদারি থাকলেও তা পর্যাপ্ত নয়। এমনকি থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত শীর্ষ কর্মকর্তাদের রাতের সময় সহজে পাওয়া যায় না বলেও অভিযোগ তুলেছেন বাসিন্দারা। এতে জরুরি পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ চরম সমস্যার মুখে পড়ছেন বলে তাঁদের দাবি।যদিও এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে শ্রীনগর থানার পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। একের পর এক চুরির ঘটনায় আতঙ্কিত এলাকাবাসী দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার এবং রাতের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন।
শ্রীনগরে ফের দুঃসাহসিক চুরি, আতঙ্কে এলাকাবাসী; পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
