শনিবার ছুটির সকাল। অন্যান্য দিনের তুলনায় রাস্তায় যানবাহনের চাপ কিছুটা কম। ঠিক সেই সময়ই শান্তিরবাজারের নাকা পয়েন্টে শুরু হয় প্রশাসনের বিশেষ অভিযান। সকাল প্রায় ৯টা নাগাদ মহকুমার মোটর ভেহিকেলস ইন্সপেক্টরের নেতৃত্বে, বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে শুরু হয় কড়া যানবাহন তল্লাশি।প্রশাসনিক অনুমতি নিয়ে প্রায় দেড় ঘণ্টাব্যাপী চলা এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ট্রাফিক আইন মেনে চলতে চালকদের সচেতন করা। ব্যস্ত এই নাকা পয়েন্ট দিয়ে যাতায়াতকারী প্রায় প্রতিটি গাড়ি থামিয়ে চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স, গাড়ির রেজিস্ট্রেশন, বিমা, দূষণ নিয়ন্ত্রণের শংসাপত্রসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় নথি খতিয়ে দেখা হয়। পাশাপাশি হেলমেট ও সিটবেল্ট ব্যবহারের বিষয়েও ছিল বিশেষ নজরদারি।অভিযান চলাকালীন সামনে আসে এক উদ্বেগজনক চিত্র। বহু চালকের কাছে প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্র ছিল না, আবার অনেকেই ট্রাফিক আইন অমান্য করে গাড়ি চালাচ্ছিলেন। ফলে ঘটনাস্থলেই একাধিক চালকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। বেশ কয়েকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্স বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং নিয়ম ভঙ্গের দায়ে আদায় করা হয় মোটা অঙ্কের জরিমানা।প্রশাসনের এই কড়া পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন নাগরিকরা। তাঁদের মতে, এ ধরনের অভিযান যদি নিয়মিত পরিচালিত হয়, তাহলে চালকদের মধ্যে আইন মেনে চলার প্রবণতা বাড়বে, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরবে এবং দুর্ঘটনার সংখ্যাও অনেকটাই কমে আসবে।
শান্তিরবাজারে কড়া যানবাহন তল্লাশি, নিয়ম ভাঙতেই লাইসেন্স বাজেয়াপ্ত ও মোটা জরিমানা
