বাংলাদেশ সীমান্তের একেবারে কাছেই ভারতের মাটিতে ছোট্ট গ্রাম কাঁঠালছড়ি। সাব্রুম নগর পঞ্চায়েতের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের এই গ্রামের অধিকাংশ মানুষই কৃষিকাজের উপর নির্ভরশীল। চারপাশের সবুজ প্রকৃতি আর শান্ত পরিবেশে ঘেরা গ্রামটি দুর্গাপূজার সময় যেন নতুন করে প্রাণ ফিরে পায়।পুজোর আর প্রায় ৬০ দিন বাকি। এরই মধ্যে প্রতিবছরের মতো এবারও দুর্গাপূজাকে ঘিরে প্রস্তুতি শুরু করেছেন গ্রামের বাসিন্দারা। এবছর প্রায় ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা বাজেট ধরে পুজোর আয়োজন করা হচ্ছে।পুজো কেবল ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, কাঁঠালছড়ির মানুষের কাছে এটি মিলন ও আনন্দের উৎসব। গ্রামের ছোট-বড়, নারী-পুরুষ সবাই একসঙ্গে পুজোর দিনগুলিতে আনন্দে মেতে ওঠেন। কৃষিকাজের ব্যস্ততার মধ্যেও এই কয়েকটি দিনের জন্য গ্রামের মানুষ অপেক্ষা করে থাকেন সারা বছর।তবে সীমান্তবর্তী গ্রাম হওয়ায় উৎসবের আনন্দেও রয়েছে কিছু নিয়মের বাধ্যবাধকতা। কাঁটাতারের ওপারেই বাংলাদেশ সীমান্ত। তাই নিরাপত্তাজনিত কারণে পুজোর দিনগুলিতে রাত ১০টার মধ্যেই সমস্ত আয়োজন শেষ করতে হয়।সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া দুই দেশের ভূখণ্ডকে আলাদা করলেও কাঁঠালছড়ির মানুষের উৎসবের আনন্দে তার ছাপ পড়ে না। সীমাবদ্ধতার মধ্যেও মিলেমিশে দুর্গোৎসবকে আনন্দময় করে তোলার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত গোটা গ্রাম।
কাঁটাতারের এপারে উৎসবের অপেক্ষা, দুর্গাপূজার প্রস্তুতিতে কাঁঠালছড়ি গ্রাম
