Headlines

বকেয়া বিলের চাপে দিশেহারা জেজেএম ঠিকাদাররা, ডিএমের দ্বারস্থ সোনামুড়া কন্ট্রাক্টরস অ্যাসোসিয়েশন

বিশ্রামগঞ্জ, ৩১ জুলাই: একদিকে সরকারের স্বপ্নের প্রকল্প ‘জল জীবন মিশন’, অন্যদিকে সেই প্রকল্পের কাজ শেষ করেও মাসের পর মাস বকেয়া বিল না পাওয়ার অভিযোগ। দীর্ঘ আর্থিক সংকটে পড়ে এবার সিপাহীজলা জেলার বিশ্রামগঞ্জ মহকুমা শাসকের কার্যালয়ে জেলা শাসক ও কালেক্টর ড. সিদ্ধার্থ শিব জাসওয়ালের কাছে ডেপুটেশন দিল সোনামুড়া কন্ট্রাক্টরস অ্যাসোসিয়েশন।শুক্রবার সংগঠনের প্রতিনিধিরা জানান, বিশালগড় পূর্ত (ডিডব্লিউএস) বিভাগের অধীনে জল জীবন মিশনের বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করলেও ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে তাঁদের বিপুল অঙ্কের বিল বকেয়া রয়েছে। একাধিকবার নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে আবেদন জানানো হলেও এখনও অর্থ মেলেনি বলে দাবি তাঁদের।ঠিকাদারদের কথায়, এই দীর্ঘ বিলম্ব তাঁদের জীবনকে চরম অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে। শ্রমিকদের মজুরি পরিশোধ, নির্মাণ সামগ্রীর সরবরাহকারীদের পাওনা, ব্যাংকের ঋণের কিস্তি—কোনোটাই সময়মতো মেটানো সম্ভব হচ্ছে না। এমনকি অনেকের পরিবারের দৈনন্দিন খরচ চালানোও কঠিন হয়ে পড়েছে।ডেপুটেশনকারীরা বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে তাঁরা নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন। প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যন্ত পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে নির্ধারিত সময়ে প্রকল্পের কাজ শেষ করেছেন। কিন্তু ন্যায্য পাওনা না মেলায় বহু ঠিকাদার এখন ঋণের বোঝায় জর্জরিত, কেউ কেউ দেউলিয়া হওয়ার আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন।তাই দ্রুত বকেয়া বিল পরিশোধের জন্য জেলা শাসকের মাধ্যমে রাজ্য সরকার ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তাঁরা। তাঁদের দাবি, দ্রুত অর্থ ছাড়া না হলে শুধু ঠিকাদাররাই নয়, জল জীবন মিশনের চলমান কাজও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে।ডেপুটেশন শেষে সংগঠনের প্রতিনিধিরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, প্রশাসন বিষয়টির গুরুত্ব উপলব্ধি করে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে এবং দীর্ঘদিনের আর্থিক সংকট থেকে তাঁদের মুক্তির পথ সুগম হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *