যুবসমাজের কর্মসংস্থান, আদিবাসী অধিকার, নেশার বিস্তার এবং বিভিন্ন জনজীবনের ইস্যু নিয়ে শনিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে সরব হলো ডেমোক্রেটিক ইয়ুথ ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া (DYFI)। সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক হিমগ্নারাজ ভট্টাচার্য, নেতা বিকাশ ঝা, টিওয়াইএফ-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক কুমুদ দেববর্মা, আসাম রাজ্য সম্পাদক নিরঙ্কুশ নাথ, পশ্চিমবঙ্গের নেত্রী সোনামণি টুডু এবং রাজ্য সম্পাদক ধ্রুবজ্যোতি সাহা।সাংবাদিক সম্মেলনে হিমগ্নারাজ ভট্টাচার্য দাবি করেন, গত এক বছরে DYFI-র সদস্যসংখ্যা প্রায় ২৫ হাজার বেড়েছে। তাঁর দাবি, বর্তমানে সংগঠনের সদস্যসংখ্যা ১ লক্ষ ২৫ হাজার ৬৯৮-এ পৌঁছেছে। তিনি বলেন, যুবসমাজের বাস্তব সমস্যাগুলি নিয়ে ধারাবাহিকভাবে আন্দোলন করার ফলেই সাধারণ মানুষের সমর্থন বাড়ছে।আদিবাসী জনগোষ্ঠীর প্রসঙ্গ তুলে তিনি অভিযোগ করেন, সংবিধান আদিবাসীদের যে অধিকার দিয়েছে, বাস্তবে তার পূর্ণ বাস্তবায়ন হয়নি। তাঁর আরও দাবি, উন্নয়নের নামে বিভিন্ন এলাকায় আদিবাসীদের জমি ও বনভূমি করপোরেট সংস্থার হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি মনরেগা প্রকল্প চালু রাখা এবং ২০০ দিনের কর্মসংস্থানের দাবিতে আন্দোলন জোরদারের কথাও জানান।ত্রিপুরার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, রাজ্যে বড় শিল্প গড়ে ওঠেনি, সরকারি দপ্তরে বহু শূন্যপদ রয়েছে এবং যুবসমাজের একাংশ নেশার কবলে পড়ছে। মাদকবিরোধী আন্দোলনে যুবকদের আরও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বানও জানান তিনি।DYFI নেতা বিকাশ ঝা দাবি করেন, দেশের যুবসমাজ বর্তমানে কর্মসংস্থানের সংকটে ভুগছে। তাঁর অভিযোগ, বিভাজনের রাজনীতি এবং করপোরেট স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ফলে বন, জমি ও প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর আদিবাসীদের অধিকার ক্ষুণ্ন হচ্ছে।আসামের রাজ্য সম্পাদক নিরঙ্কুশ নাথও অভিযোগ করেন, বিজেপি সরকার উন্নয়নের নামে আদিবাসীদের জমি করপোরেট সংস্থার হাতে তুলে দিচ্ছে। তিনি আদিবাসীদের অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ওপর জোর দেন।তবে DYFI নেতাদের এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে বিজেপির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া
যুব সমস্যা, কর্মসংস্থান ও আদিবাসী অধিকার নিয়ে সরব DYFI; আন্দোলন জোরদারের ঘোষণা
