পাথর ভাঙার ক্রাশার থেকে একের পর এক মূল্যবান যন্ত্রাংশ উধাও হচ্ছিল। দীর্ঘদিন ধরে এই চুরির ঘটনায় ক্ষতির মুখে পড়ছিলেন ক্রাশার মালিকরা। শেষ পর্যন্ত নিজেরাই পাহারার ব্যবস্থা করেন, আর সেই উদ্যোগেই ধরা পড়ে যায় অভিযুক্ত।বুধবার উত্তর ত্রিপুরার কদমতলা থানার ঝেরঝেরী এলাকায় ইমদাদুর রহমানের ক্রাশার থেকে লোহার মূল্যবান যন্ত্রাংশ চুরি করার সময় হাতেনাতে আটক করা হয় আব্বাস উদ্দিন নামে এক ব্যক্তিকে। স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেন।পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত স্বীকার করে, আগেও চুরি করা বিভিন্ন যন্ত্রাংশ কদমতলা বাজারের একটি ভাঙারির দোকানে বিক্রি করেছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে একটি দোকান থেকে প্রায় শতাধিক ক্রাশার মেশিনের ‘রুলি’সহ বিপুল পরিমাণ যন্ত্রাংশ উদ্ধার করে। উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর আনুমানিক মূল্য প্রায় দুই থেকে আড়াই লক্ষ টাকা বলে জানা গেছে। যদিও এখনও কিছু যন্ত্রাংশের খোঁজ মেলেনি। অভিযানের সময় অভিযুক্ত ভাঙারি ব্যবসায়ী দোকানে উপস্থিত ছিলেন না।ক্রাশার মালিক বিল্লাল আহমেদ জানান, এটি নতুন ঘটনা নয়। প্রায় এক বছর আগেও একই ধরনের চুরির ঘটনায় কয়েকজনকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। তখনও ভাঙারির দোকান থেকে চুরি হওয়া যন্ত্রাংশ উদ্ধার হয়। তাঁর অভিযোগ, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কম দামে এসব চোরাই মাল কিনে চোরদের উৎসাহিত করছেন, ফলে এই চক্র বারবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে।
ক্রাশারে চুরির জাল ভাঙল কদমতলা পুলিশ, ধৃতের দেখানো পথে উদ্ধার লক্ষাধিক টাকার যন্ত্রাংশ
