উন্নয়নের দাবি, উদ্বোধনের ঝলক আর নেতা-মন্ত্রীদের একের পর এক ভাষণ—সবকিছুর মাঝেই বাস্তবের ছবি যেন একেবারেই ভিন্ন। কুমারঘাট মহকুমার ফটিকরায়–কুমারঘাট প্রধান সড়কের বিদ্যাসাগর সেতু সংলগ্ন অংশ দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। বড় বড় গর্তে ভরা এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন সাধারণ মানুষ।স্থানীয়দের অভিযোগ, বহুবার সমস্যার কথা জানানো হলেও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের পক্ষ থেকে রাস্তা সংস্কারের কোনও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে প্রতিদিনই ছোট-বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা নিয়ে পথ চলতে হচ্ছে স্কুল-কলেজের পড়ুয়া, কর্মজীবী মানুষ এবং যানবাহন চালকদের।এই পরিস্থিতিতে সরকারি সাহায্যের অপেক্ষায় না থেকে এক মানবিক উদ্যোগের নজির গড়লেন ই-রিকশা চালক জয়দ্বীপ ঘোষ। নিজের উপার্জনের টাকা খরচ করে, নিজের হাতেই রাস্তার বড় বড় গর্তে মাটি ও ইটের খোয়া ফেলে সাময়িকভাবে চলাচলের উপযোগী করার চেষ্টা করেন তিনি।জয়দ্বীপের এই উদ্যোগে অনেকেই তাকে সাধুবাদ জানালেও, একই সঙ্গে ক্ষোভও প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। তাদের প্রশ্ন, যে কাজটি সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের করার কথা, সেই দায়িত্ব কেন একজন সাধারণ শ্রমজীবী মানুষকে নিজের কাঁধে তুলে নিতে হবে?স্থানীয়দের বক্তব্য, উন্নয়নের প্রকৃত চিত্র বক্তৃতা বা প্রচারে নয়, মানুষের দৈনন্দিন জীবনের মৌলিক সমস্যার সমাধানেই প্রতিফলিত হওয়া উচিত। তাই দ্রুত এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটির স্থায়ী সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী
বক্তৃতায় উন্নয়ন, বাস্তবে গর্তে ভরা রাস্তা! সরকারি উদাসীনতায় নিজেই কোদাল হাতে ই-রিকশা চালক
