সকাল থেকেই খয়েরপুরের চৌদ্দ দেবতা মন্দিরে ভক্তদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহ্যকে ধারণ করে ধর্মীয় নিয়ম মেনে সম্পন্ন হয় চৌদ্দ দেবতার স্নানযাত্রা। ঢাক-ঢোল, শঙ্খধ্বনি, বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণ এবং ভক্তদের জয়ধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে গোটা মন্দির প্রাঙ্গণ।স্নানযাত্রার মধ্য দিয়েই শুরু হলো ত্রিপুরার অন্যতম প্রাচীন ধর্মীয় উৎসব খার্চি পূজার আনুষ্ঠানিকতা। আগামীকাল থেকে শুরু হবে সাত দিনব্যাপী পূজা ও বর্ণাঢ্য মেলা। এই কয়েকদিন চৌদ্দ দেবতা মন্দির প্রাঙ্গণ হয়ে উঠবে ভক্তি, ঐতিহ্য ও লোকসংস্কৃতির এক প্রাণবন্ত মিলনক্ষেত্র।প্রতিবছরের মতো এবারও রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের পাশাপাশি দেশের নানা এলাকা থেকে হাজার হাজার ভক্ত ও দর্শনার্থীর সমাগমের আশা করা হচ্ছে। সেই কথা মাথায় রেখে নিরাপত্তা, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও গ্রহণ করেছে প্রশাসন।খার্চি পূজা শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি ত্রিপুরার ঐতিহ্য, ইতিহাস ও সম্প্রীতির এক জীবন্ত প্রতীক। আগামী সাত দিন ধরে পূজা, মেলা এবং নানা সাংস্কৃতিক আয়োজনে মুখর থাকবে খয়েরপুরের চৌদ্দ দেবতা মন্দির চত্বর।
ত্রিপুরার সংস্কৃতি, ঐতিহ্য আর ধর্মীয় বিশ্বাসের এক অনন্য মিলনমেলা— খার্চি পূজা। আর সেই ঐতিহ্যবাহী উৎসবের শুভ সূচনা হলো আজ স্নানযাত্রার মধ্য দিয়ে। খয়েরপুরের ঐতিহাসিক চৌদ্দ দেবতা মন্দিরে বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণ ও ধর্মীয় রীতিনীতি মেনে দেবতাদের পবিত্র স্নান করানো হয়। এই আচারকে কেন্দ্র করেই শুরু হলো সাত দিনব্যাপী খার্চি পূজা ও মেলার আনুষ্ঠানিক পর্ব।
