কমলাসাগর, ১৫ জুলাই: বিদ্যালয়ে পড়ুয়া আছে, শ্রেণিকক্ষও রয়েছে। কিন্তু পর্যাপ্ত শিক্ষক নেই। মাত্র তিনজন শিক্ষককে ভরসা করেই বছরের পর বছর চলছে কমলাসাগর বিধানসভার অন্তর্গত হরিশনগর নিম্ন বুনিয়াদি বিদ্যালয়। ফলে একজন শিক্ষক ছুটিতে গেলেই গোটা শিক্ষাব্যবস্থায় নেমে আসে অচলাবস্থা।বুধবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রদীপ কুমার সাহা জানান, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে একই পরিস্থিতিতে চলছে বিদ্যালয়টি। সীমিত সংখ্যক শিক্ষক নিয়ে একাধিক শ্রেণির পাঠদান, প্রশাসনিক দায়িত্ব এবং অন্যান্য কাজ একসঙ্গে সামলাতে গিয়ে চরম সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে।সবচেয়ে বড় সংকট দেখা দেয় যখন প্রধান শিক্ষক বা অন্য কোনো শিক্ষিকা ছুটিতে থাকেন। তখন বাকি শিক্ষকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে এবং স্বাভাবিকভাবে পাঠদান ব্যাহত হয়। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ওপর।স্থানীয় অভিভাবক ও বাসিন্দাদের দাবি, শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়নের কথা বলা হলেও বাস্তবে এই বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক সংকটের কোনো সমাধান হয়নি। তাঁদের মতে, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের স্বার্থে অবিলম্বে পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ করা জরুরি।এলাকাবাসীর আশা, বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর শিক্ষা দপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ নেবে। কারণ একটি বিদ্যালয়ের শক্তি শুধু ভবন নয়, যোগ্য ও পর্যাপ্ত শিক্ষকও। আর সেই ঘাটতি পূরণ না হলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে আগামী প্রজন্মের শিক্ষাজীবন।
মাত্র তিন শিক্ষকেই চলছে গোটা স্কুল! হরিশনগর বিদ্যালয়ের শিক্ষক সংকটে ব্যাহত পড়াশোনা
