সততা শুধু একটি নীতি নয়, একটি প্রতিষ্ঠানের প্রতি মানুষের আস্থা তৈরির অন্যতম প্রধান ভিত্তি। সেই বার্তাকেই সামনে রেখে ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাঙ্কে অনুষ্ঠিত হলো ভিজিল্যান্স সচেতনতা কর্মসূচি।শনিবার আগরতলায় আয়োজিত এই কর্মসূচির মূল ভাবনা ছিল— “Probity for Prosperity”, অর্থাৎ সততার পথেই সমৃদ্ধির ভিত্তি তৈরি হয়। ১৭ আগস্ট থেকে ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত চলা তিন মাসব্যাপী ভিজিল্যান্স সচেতনতা অভিযানের অংশ হিসেবেই এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা সরকারের আইন দপ্তরের সচিব শ্রীমতী শঙ্করী দাস। পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাঙ্কের ঊর্ধ্বতন আধিকারিক ও কর্মীরা।অনুষ্ঠানে ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যান বলেন, একটি প্রতিষ্ঠানের সাফল্য শুধু আর্থিক ফলাফলের ওপর নির্ভর করে না; মানুষের আস্থা অর্জন করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। আর সেই আস্থার ভিত্তি হলো সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা।তিনি কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ভিজিল্যান্স মানে শুধু অনিয়ম খুঁজে বের করা নয়। অনিয়ম যাতে না ঘটে, সেই পরিবেশ তৈরি করা, কাজের পদ্ধতি আরও শক্তিশালী করা এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে নৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়াই এর মূল উদ্দেশ্য।গ্রাহকদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নিয়ম মেনে ও স্বচ্ছতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্যও ব্যাঙ্ক কর্মীদের আহ্বান জানানো হয়।চেয়ারম্যানের কথায়, সততা থেকে জন্ম নেয় আস্থা, আস্থা তৈরি করে বিশ্বাসযোগ্যতা, আর সেই বিশ্বাসযোগ্যতাই একটি প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘমেয়াদি সমৃদ্ধির পথ তৈরি করে।আগামী ২৬ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বর পর্যন্ত ভিজিল্যান্স সচেতনতা সপ্তাহ পালনের মধ্য দিয়ে এই অভিযানে আরও জোর দেওয়া হবে।এই কর্মসূচির মাধ্যমে ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাঙ্ক আবারও স্পষ্ট করেছে—সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকে সামনে রেখেই গ্রাহকদের আরও বিশ্বাসযোগ্য ও সুশাসনভিত্তিক পরিষেবা দেওয়ার লক্ষ্যে তারা এগিয়ে যেতে চায়।
সততার বার্তায় ত্রিপুরা গ্রামীণ ব্যাঙ্কে ভিজিল্যান্স সচেতনতা কর্মসূচি
