বিবেকানন্দ স্কুল, বরদোয়ালী ও আশ্রম চৌমুহনী এলাকার পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখে মুখ্যমন্ত্রী জানান, পরিস্থিতির ওপর সরকার কড়া নজর রাখছে। প্রশাসনের আধিকারিক থেকে শুরু করে দুর্যোগ মোকাবিলা দলের সদস্যরা দিনরাত কাজ করছেন।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, হাওড়া নদীর জল বিপদসীমা অতিক্রম করলেও বর্তমানে জল ধীরে ধীরে কমছে। দুর্গতদের জন্য ত্রাণশিবিরে খাবার ও শিশুদের খাদ্যের ব্যবস্থা করা হয়েছে। রাজ্যে মোট ১৭টি ত্রাণশিবিরে ৪১৩টি পরিবারের ১,৩০৫ জন আশ্রয় নিয়েছেন।বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় নৌকা ও দুর্যোগ মোকাবিলা দল মাঠে রয়েছে। পাশাপাশি NDRF-কে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ভবিষ্যতে যাতে বারবার একইভাবে বন্যার কবলে পড়তে না হয়, তার জন্য স্থায়ী সমাধানের পথ খুঁজে বের করার কথাও জানান মুখ্যমন্ত্রী।পরিদর্শনের সময় মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন রাজ্য সরকারের সচিব মিলিন্দ রামটেক, পশ্চিম ত্রিপুরার জেলাশাসক ড. বিশাল কুমারসহ প্রশাসনের অন্যান্য আধিকারিকরা।
বন্যার জলে বিপর্যস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা। আগরতলার বিভিন্ন বন্যাদুর্গত এলাকা ও ত্রাণশিবির ঘুরে দেখার পাশাপাশি দুর্গতদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
