জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মানুষের সেবায় নিজের দায়িত্ব পালন করে চিরবিদায় নিলেন মেলাঘর বটতলীর বাসিন্দা ও MPW কর্মী প্রসেনজিৎ দাস। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার, সহকর্মী ও এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।শারীরিক অসুস্থতা অনুভব করেও কর্তব্যে অবহেলা করেননি প্রসেনজিৎ। উরমাই প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ডিউটি চলাকালীন হঠাৎ মাথা ঘুরে পড়ে যান তিনি। দ্রুত মেলাঘর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।করোনা মহামারীর কঠিন সময় হোক কিংবা ভয়াবহ বন্যা—ঝুঁকি নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি। কখনো নৌকায়, কখনো বুকসমান জলে নেমে কর্মস্থলে পৌঁছে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর কর্মনিষ্ঠা আজ সহকর্মীদের কাছে এক অনুপ্রেরণার নাম।অত্যন্ত কষ্টের বিষয়, প্রসেনজিৎ রেখে গেলেন স্ত্রী, মাত্র ১৮ মাসের এক শিশু সন্তান এবং ৯ বছরের আরেক সন্তানকে। এক মুহূর্তে বাবা হারানো দুই শিশুর ভবিষ্যৎ নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগে পরিবার।স্থানীয়দের কথায়, সহজ-সরল ও ভালো মনের মানুষ ছিলেন প্রসেনজিৎ। তাঁর জীবন ও কর্মনিষ্ঠা যেন আমাদের প্রত্যেকের কর্মজীবনে দায়িত্ববোধ ও মানবিকতার এক উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে থাকে।
অকালেই থেমে গেল এক নিষ্ঠাবান স্বাস্থ্যকর্মীর পথচলা
