নারিকেল শুধু একটি ফল নয়, বহু কৃষক পরিবারের কাছে এটি আয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎস। সেই নারিকেল চাষকে আরও লাভজনক ও আধুনিক করে তুলতে বিশ্ব নারিকেল দিবস উপলক্ষে দক্ষিণ ত্রিপুরায় বিশেষ সচেতনতামূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।হিছাছড়া ও সকবাড়িতে নারিকেল উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল কৃষকদের মধ্যে আধুনিক নারিকেল চাষের পদ্ধতি ছড়িয়ে দেওয়া, উৎপাদন বাড়ানো এবং নারিকেল থেকে বিভিন্ন মূল্য সংযোজিত পণ্য তৈরির সম্ভাবনা তুলে ধরা। কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রকের অধীন নারিকেল উন্নয়ন বোর্ডের Demonstration-cum-Seed Production Farm-এ এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।আলোচনায় নারিকেল গাছে রোগ ও পোকামাকড়ের আক্রমণ প্রতিরোধ, আধুনিক পরিচর্যা পদ্ধতি এবং নারিকেলজাত পণ্য তৈরি করে বাড়তি আয়ের সুযোগ নিয়ে কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হয়। পাশাপাশি সফল নারিকেল চাষিদের অভিজ্ঞতাও তুলে ধরা হয়।এ বছরের বিশ্ব নারিকেল দিবসের প্রতিপাদ্য— “Coconuts in Times of Uncertainty: Securing Food, Energy, and Livelihoods”। অনিশ্চয়তার সময়ে খাদ্য, জীবিকা ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তায় নারিকেলের গুরুত্বকে সামনে রেখেই এই উদ্যোগ।কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন কে ভিকে-এর ঈঙ্গিতা গুহাইন, সমাজসেবী কমল কৃষ্ণ সেন এবং কলাছড়ার এগ্রি সেক্টর অফিসার বসিল দেববর্মা। কৃষকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি নারিকেল চাষকে ভবিষ্যতের আরও সম্ভাবনাময় আয়ের উৎস হিসেবে গড়ে তোলার বার্তাও দেওয়া হয়।
নারিকেল চাষে নতুন সম্ভাবনা, দক্ষিণ ত্রিপুরায় বিশ্ব নারিকেল দিবস পালিত
