Headlines

৮ টনের সেতুতে ১৫–১৬ টন! সাব্রুম-বৈষ্ণবপুর সড়কে ভারী যান চলাচলে বাড়ছে ঝুঁকি

সরকারি অর্থে তৈরি রাস্তা ও সেতু। মানুষের যাতায়াত সহজ করতেই গড়ে তোলা হয়েছিল এই পরিকাঠামো। কিন্তু সেই সেতুর নির্ধারিত ধারণক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি ওজনের পণ্যবাহী যান চলাচলের অভিযোগ উঠতেই নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে দক্ষিণ ত্রিপুরার সাব্রুম-বৈষ্ণবপুর সড়ককে ঘিরে।স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে লোহার রড, সিমেন্ট, পাথরসহ বিভিন্ন নির্মাণ সামগ্রী বোঝাই ভারী যানবাহন চলাচল করছে। এর জেরে সাব্রুম থেকে বৈষ্ণবপুরের রাস্তাটির পাশাপাশি দুটি সেতুও ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ছে বলে দাবি এলাকাবাসীর।বিশেষ করে বৈষ্ণবপুর বাজার সংলগ্ন লোহার সেতুটি নিয়ে বেশি উদ্বেগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, সেতুটির ধারণক্ষমতা ৮ টন হলেও সেখানে ১৫ থেকে ১৬ টন পর্যন্ত পণ্য বোঝাই যান চলাচল করছে। অর্থাৎ নির্ধারিত সীমার তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ ওজন নিয়ে যান চলাচলের অভিযোগ উঠছে।এলাকাবাসীর আরও দাবি, গত বছর অতিরিক্ত পাথর বোঝাই ভারী যান চলাচলের কারণে এই সেতুটি ভেঙে পড়েছিল। পরে সেতু মেরামতের কাজ চলাকালীন দীর্ঘদিন সমস্যায় পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে। যাতায়াতের ভোগান্তি থেকে শুরু করে পরিবহন ব্যবস্থায়ও তৈরি হয়েছিল নানা সমস্যা।স্থানীয়দের আশঙ্কা, একইভাবে অতিরিক্ত ভারী যান চলাচল অব্যাহত থাকলে ফের বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে। এমনকি সেতুর ওপর দিয়ে যান চলাচলের সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তাঁরা।তাই শুধু রাস্তা ও সেতু নির্মাণ করলেই দায়িত্ব শেষ নয়—তার ধারণক্ষমতা অনুযায়ী যান চলাচল হচ্ছে কি না, সেটিও নিয়মিত নজরদারির দাবি তুলেছেন এলাকাবাসী। কার অনুমতিতে অতিরিক্ত ভারবাহী যান চলাচল করছে, সেই প্রশ্নেরও উত্তর চাওয়া হচ্ছে।এখন নজর প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দিকে। অভিযোগের ভিত্তিতে অতিরিক্ত ভারবাহী যান চলাচল বন্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং সাব্রুম-বৈষ্ণবপুর সড়ক ও সেতুগুলোর নিরাপত্তা কীভাবে নিশ্চিত করা হয়, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন স্থানীয় মানুষ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *