দুর্ঘটনা কখনও বলে আসে না। আর সেই দুর্ঘটনার মুহূর্তে নিজের ব্যস্ততা কিংবা ভয়কে দূরে সরিয়ে আহত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই হয়ে ওঠে প্রকৃত মানবিকতার পরিচয়। এমনই সাহসী ও মানবিক মানুষদের সম্মান জানাল পরিবহন দপ্তর।বুধবার সচিবালয়ের ১ নম্বর কনফারেন্স হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছে দিয়ে জীবন রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী ‘রাহবীর’ বা ‘গুড সামারিটান’দের হাতে পুরস্কার ও শংসাপত্র তুলে দেওয়া হয়। প্রত্যেক পুরস্কারপ্রাপককে দেওয়া হয় ২৫ হাজার টাকা করে।গোমতী জেলার কাজল দেবনাথ ও প্রসেনজিৎ ভৌমিককে যুগ্মভাবে, অশেষ দাস, খুরশিদ মিয়া ও অজিত দাস; ধলাই জেলার সত্যজিৎ কুমার শীল ও সত্যরঞ্জন দেবনাথ এবং ঊনকোটি জেলার লতিকা সিনহাকে তাঁদের মানবিক উদ্যোগের স্বীকৃতি দেওয়া হয়।দুর্ঘটনার পর অনেকেই আতঙ্কে পিছিয়ে যান। কিন্তু এই ‘রাহবীর’রা সেই ভয়কে জয় করে বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাঁদের দ্রুত পদক্ষেপ আহতদের হাসপাতালে পৌঁছাতে সহায়তা করেছে এবং সংকটের সময়ে মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে।‘রাহবীর’ উদ্যোগের বার্তা একটাই—দুর্ঘটনার পর আহত মানুষকে একা ফেলে নয়, বরং দ্রুত সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। কারণ সময়মতো সামান্য একটি উদ্যোগও বাঁচিয়ে দিতে পারে একটি মূল্যবান প্রাণ।এই সাহসী মানুষগুলির মানবিকতা শুধু সম্মানের নয়, সমাজের প্রত্যেকের জন্যও একটি বড় বার্তা—বিপদের সময়ে পাশে দাঁড়ান, সাহায্যের হাত বাড়ান, আপনিও হয়ে উঠুন একজন ‘রাহবীর’।
বিপদের দিনে পাশে দাঁড়ানোই মানবিকতা, ‘রাহবীর’দের হাতে ২৫ হাজার টাকা ও শংসাপত্র
