অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানিয়েছেন, ধুবড়ি ও কোকরাঝাড় জেলার ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলির পরিস্থিতি প্রশাসন নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলিকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
বাসিন্দাদের কী সতর্কতা দেওয়া হয়েছে?
নদীর তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে এবং নদীর জলস্তর পর্যবেক্ষণ করতে বলা হয়েছে। প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলার পাশাপাশি নদীর কাছে যাওয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
হিমালয় অঞ্চলে হিমবাহ গলে তৈরি হওয়া হ্রদের প্রাকৃতিক বাঁধ ভেঙে গেলে অল্প সময়ের মধ্যে বিপুল পরিমাণ জল নেমে আসতে পারে। এই ধরনের আকস্মিক বন্যাকেই GLOF বলা হয়।
বর্তমানে ভুটান এবং ভারতের সীমান্তবর্তী নদী অববাহিকার পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। সম্ভাব্য বিপর্যয় মোকাবিলায় প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে।
ভুটানের হিমবাহ বিপর্যয়ে উদ্বেগ, সংকোশ নদী ঘিরে অসম ও উত্তরবঙ্গে সতর্কতা।
