চোখে একরাশ স্বপ্ন, মনে চাকরি পাওয়ার আশা। দীর্ঘদিন ধরে সেই আশাকে বুকে আগলে রেখেই অপেক্ষা করছেন টেট-১ উত্তীর্ণ বেকার যুবক-যুবতীরা। কিন্তু সময় যত গড়াচ্ছে, ততই যেন দীর্ঘ হচ্ছে তাঁদের অনিশ্চয়তার পথ। অবশেষে সেই হতাশা আর চাপা থাকল না। নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করতে গিয়ে শিক্ষা দফতরের সামনে বসেই কান্নায় ভেঙে পড়লেন টেট-১ উত্তীর্ণরা।এই দৃশ্য শুধু কয়েকজন চাকরিপ্রার্থীর চোখের জল নয়, বরং দীর্ঘদিন ধরে নিয়োগের আশায় অপেক্ষা করে থাকা একদল যুবক-যুবতীর অনিশ্চিত ভবিষ্যতের প্রতিচ্ছবি। পড়াশোনা করে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরও যখন কর্মসংস্থানের অপেক্ষা শেষ হয় না, তখন স্বাভাবিকভাবেই বাড়তে থাকে হতাশা ও মানসিক চাপ।চাকরির দাবিতে তাঁদের এই প্রতিবাদে উঠে এসেছে দ্রুত নিয়োগের আকুতি। তাঁদের বক্তব্য, পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরও কেন নিয়োগের জন্য দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতে হবে? কবে কাটবে এই অনিশ্চয়তা? কবে মিলবে তাঁদের পরিশ্রমের স্বীকৃতি?সব মিলিয়ে, শিক্ষা দফতরের সামনে টেট-১ উত্তীর্ণদের এই আবেগঘন পরিস্থিতি আবারও সামনে নিয়ে এল বেকারত্ব ও নিয়োগের দীর্ঘ প্রতীক্ষার প্রশ্ন। এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তরফে তাঁদের দাবি নিয়ে কী পদক্ষেপ করা হয়, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন চাকরিপ্রার্থীরা।
চাকরির আশায় দীর্ঘ অপেক্ষা, শিক্ষা দফতরের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়লেন টেট-১ উত্তীর্ণরা!
