গভীর রাত। চারপাশ যখন নিস্তব্ধ, তখন আচমকাই আগুনের লেলিহান শিখা। বুধবার রাত আনুমানিক দেড়টা নাগাদ খোয়াইয়ের গণকী জগন্নাথ আশ্রম সংলগ্ন এলাকায় সঞ্জয় দাসের বাড়িতে ঘটে এই অগ্নিকাণ্ড। মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়।পরিবারের সদস্যরা প্রথমে বাড়ির পাশে থাকা একটি ছোট ঘরে আগুন জ্বলতে দেখতে পান। চোখের সামনে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়তে দেখে শুরু হয় চিৎকার-চেঁচামেচি। খবর পেয়ে ছুটে আসেন প্রতিবেশীরাও। দ্রুত দমকল বাহিনীকে খবর দেওয়া হয়।এরপর স্থানীয় বাসিন্দা ও দমকল কর্মীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। তবে ততক্ষণে আগুনে ছোট ঘরটির ভেতরে থাকা বেশ কিছু সামগ্রী পুড়ে ছাই হয়ে যায়।সবচেয়ে বড় আশঙ্কা ছিল আগুনের পাশেই থাকা দুটি বসতঘর নিয়ে। আগুন সামান্য ছড়িয়ে পড়লেই বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারত। শেষ পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আসায় বড়সড় ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পায় সঞ্জয় দাসের পরিবার।তবে আগুন কীভাবে লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বাড়ির মালিক সঞ্জয় দাসের অভিযোগ, এটি নিছক দুর্ঘটনা নয়, বরং পরিকল্পিত অগ্নিসংযোগ হতে পারে। ঘটনার তদন্তের দাবিতে খোয়াই থানায় লিখিত অভিযোগও দায়ের করেছেন তিনি।গভীর রাতে এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। আগুনের প্রকৃত কারণ কী, নাকি সত্যিই এর পেছনে রয়েছে কোনও পরিকল্পিত নাশকতা—তার উত্তর এখন তদন্তের দিকেই তাকিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা।
আগুনের লেলিহান শিখা থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেল সঞ্জয় দাসের পরিবার
