একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পরিচয় থেকে শুরু। ধীরে ধীরে সেই পরিচয় গড়ায় ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে। অভিযোগ, বিশালগড়ের নেহাল চন্দ্রনগর এলাকার যুবক সুদীপ আচার্যের সঙ্গে বিশালগড় বাজার সংলগ্ন এলাকার এক বিবাহিত গৃহবধূর দীর্ঘদিনের সম্পর্ক তৈরি হয়। দুজনেই বিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও এই সম্পর্ক চলছিল বলে দাবি যুবকের।সুদীপের অভিযোগ, সম্পর্ক চলাকালীন দুজন একাধিকবার বহিরাজ্যেও ঘুরতে গিয়েছেন। এমনকি ওই গৃহবধূ ও তাঁর স্বামীর কাছেও তিনি বিপুল পরিমাণ টাকা দিয়েছেন বলে দাবি করেন সুদীপ। তাঁর বক্তব্য, গোটা বিষয়টি গৃহবধূর স্বামীও জানতেন।তবে একসময় এই সম্পর্ক থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন সুদীপ। অভিযোগ, এরপরই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। কিছুদিন আগে বিশালগড় নিউ মার্কেট এলাকায় গৃহবধূর স্বামী তাঁকে আটক করে মারধর করেন এবং পরে থানায় নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ। সেখানে দুই পক্ষের উপস্থিতিতে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়। ভবিষ্যতে কেউ কারও সঙ্গে যোগাযোগ রাখবেন না—এমন সিদ্ধান্তে লিখিতভাবে সম্মতিও দেন দুই পক্ষের পরিবার।কিন্তু সুদীপের দাবি, সেই মীমাংসার পরও গৃহবধূ ফের তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে থাকেন। ফোন কল, ভয়েস মেসেজ এবং হোয়াটসঅ্যাপ বার্তার মাধ্যমে যোগাযোগের একাধিক প্রমাণ তাঁর কাছে রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।আর এখানেই উঠেছে গুরুতর অভিযোগ। সুদীপের দাবি, সম্পর্ক বজায় না রাখলে নিজের ক্ষতি করবেন এবং সেই ঘটনায় তাঁকে ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত হয়ে শেষ পর্যন্ত বিশালগড় থানার দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি।সংবাদমাধ্যমের সামনে সুদীপ আচার্যের আবেদন, পুরো ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হোক এবং সত্যতা যাচাই করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক।তবে অভিযোগের সত্যতা এখনও তদন্তসাপেক্ষ। পুলিশি তদন্তেই ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায় নির্ধারিত হবে।
সম্পর্ক ভাঙতে চেয়েছিলেন যুবক, এরপরই শুরু ‘ব্ল্যাকমেলিং’! বিশালগড়ে গৃহবধূর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ
