একটি রাস্তা, আর সেই রাস্তা ঘিরেই দীর্ঘদিনের জটিলতা। সাধারণ মানুষের যাতায়াতের পথ যাতে কোনওভাবেই বন্ধ না হয়, সেই লক্ষ্যেই মঙ্গলবার দক্ষিণ ঘিলাতলীর ছনখলা এলাকায় জমির সীমানা নির্ধারণ করতে উদ্যোগী হয় প্রশাসন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে দ্বিতীয় পক্ষ টিআরপিসি চেয়ারপার্সন পাতাল কন্যা জমাতিয়া উপস্থিত না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত অসমাপ্তই থেকে যায় জমি মাপজোকের কাজ।পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকাল ১০টা নাগাদ প্রশাসনিক আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে সীমানা নির্ধারণের প্রক্রিয়া শুরু করেন। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করেও পাতাল কন্যা জমাতিয়ার দেখা না মেলায় এবং তাঁকে পাঠানো লিখিত নোটিশ ও ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা সত্ত্বেও সাড়া না পাওয়ায় সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হয়নি। বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত অপেক্ষার পর কাজ স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেন আধিকারিকরা।ঘটনাস্থলে তেলিয়ামুড়ার মহকুমা শাসক জানান, জমি সংক্রান্ত বিষয়টি নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ পরে নির্ধারণ করা হবে। তবে সাধারণ মানুষের চলাচলের অধিকারের প্রশ্নে প্রশাসনের অবস্থান স্পষ্ট। তিনি জানিয়ে দেন, সার্বজনীন রাস্তা সব সময় মানুষের ব্যবহারের জন্য খোলা থাকবে। কোনওভাবেই সেই রাস্তা আটকে রাখা যাবে না।পাশাপাশি, ভবিষ্যতে কেউ যদি আবার রাস্তার উপর বেড়া দিয়ে চলাচলে বাধা সৃষ্টি করার চেষ্টা করেন, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন মহকুমা শাসক।জমি নিয়ে বিরোধের নিষ্পত্তি এখনও না হলেও, সাধারণ মানুষের যাতায়াতের পথ সচল রাখার বিষয়ে প্রশাসনের এই বার্তা স্থানীয়দের কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।
পাতাল কন্যার অনুপস্থিতিতে থমকে জমি মাপজোক, সার্বজনীন রাস্তা নিয়ে কড়া বার্তা প্রশাসনের
