আগরতলা, ১১ অক্টোবর: উৎসব মানেই আনন্দ, উচ্ছ্বাস আর প্রিয়জনদের সঙ্গে খুশির মুহূর্ত ভাগ করে নেওয়া। কিন্তু সেই আনন্দের আবহে অতিরিক্ত শব্দের কারণে যেন অন্যের জীবন অতিষ্ঠ হয়ে না ওঠে, সেই বিষয়টি সামনে রেখে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ত্রিপুরা রাজ্য আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষ।অতিরিক্ত শব্দের কারণে জনস্বাস্থ্যের উপর বিরূপ প্রভাব সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে শুরু করা হয়েছে ‘সর্বে ভবন্তু সুখিনঃ’ শীর্ষক একটি বিশেষ আইনি সচেতনতা অভিযান। সংস্কৃত এই বাক্যাংশের অর্থ—‘সকলেই সুখী ও কল্যাণময় জীবন লাভ করুন’। এই ভাবনাকে সামনে রেখেই উৎসবের আনন্দের পাশাপাশি মানুষের সুস্থতা, শান্তি ও স্বস্তি বজায় রাখার বার্তা তুলে ধরা হচ্ছে।এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১১ অক্টোবর, রবিবার দুপুর ১২টায় আগরতলার জেলা ও দায়রা বিচারকের আদালত চত্বরে নতুন ভবনের নিচতলায় একটি সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন জেলা ও দায়রা বিচারক এ. পাণ্ডে, অতিরিক্ত জেলা বিচারক এস. ডি. সিং, বিচার বিভাগীয় আধিকারিক রামানুজ ভট্টাচার্য-সহ অন্যান্য বিচারকরা।উৎসবের সময় অতিরিক্ত শব্দের প্রভাব শুধু ব্যক্তিগত অস্বস্তিতেই সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং শিশু, প্রবীণ ব্যক্তি এবং অসুস্থ মানুষের জন্যও তা উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠতে পারে। তাই আনন্দ উদযাপনের পাশাপাশি অন্যের সুস্থতা ও শান্তির প্রতি দায়িত্বশীল থাকার গুরুত্ব তুলে ধরাই এই উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য।আনন্দের অধিকার সবার, তেমনই শান্তিতে থাকার অধিকারও সবার। এই মানবিক উপলব্ধিকে সামনে রেখে ত্রিপুরা রাজ্য আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের এই উদ্যোগ শব্দদূষণ রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতার বার্তাও বহন করছে।
উৎসবের আনন্দে শব্দদূষণ নয়, জনস্বাস্থ্য রক্ষায় সচেতনতার বার্তা ত্রিপুরা রাজ্য আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের
